ইসলামিক "গল্প থেকে শিক্ষা"
* ন্যায়বিচার *
Tuesday, 2 February 2016
Sunday, 31 January 2016
*গল্প থেকে শিক্ষা*
একজন লোক মাত্র বিয়ে করে তার
স্ত্রীকে সাথে নিয়ে বাড়িতে ফিরছি
তারা যখন নৌকা দিয়ে সাগর পাড়
হচ্ছিল, তখন হঠাৎ একটি বড় ঝড়ের
কবলে পড়েছিল।
লোকটি ছিল একজন সাহসী যোদ্ধা,
কিন্তু তার স্ত্রী খুব ভীত হয়ে ওঠে যেহেতু
নৌকাটি ছিল ছোট এবং যে কোন মুহূর্তে
তারা নিমজ্জিত হতে যাচ্ছে এতে সে খুব
নিরাশ হয়ে পড়ল।
কিন্তু"
লোকটি তখনও নীরব এবং শান্ত ছিল যেন কিছুই ঘটেনি। মহিলার আতঙ্কগ্রস্ত এবং কম্পিত
কন্ঠে জিজ্ঞেস করল, “আপনি কি ভীত
নন ?”। এটাই আমাদের জীবনের শেষ
মুহূর্ত হতে পারে! শুধুমাত্র কিছু
অলৌকিক ঘটনা আমাদের
রক্ষা করতে পারে; অন্যথায় মৃত্যু নিশ্চিত।
লোকটি হাসতে হাসতে তার
তলোয়ারটি খোলস থেকে বের করল।
মহিলাটি আরো আতঙ্কিত হয়ে পরল;
সে আসলে কি করতে যাচ্ছে?
তারপর সে তার
খোলা তলোয়ারটি তার স্ত্রীর প্রায়
গলাকে স্পর্শ করে ধরে রাখল...
সে বলল, “তুমি কি ভয় পাচ্ছ?”
তার স্ত্রী হাসতে শুরু করল আর বলল,
“আমি কেন ভয় পাব?
তলোয়ারটিতো আপনার হাতে, কেন
আমি ভয় পাব?
আমি জানি যে আপনি আমাকে আনেক
ভালবাসেন।”
“সে তলোয়ারটি খোলসের ভিতর
রাখতে রাখতে বলল, “তুমি আমার
উত্তর পেয়েগেছ” আমি জানি আল্লাহ
আমাদের ভালবাসেন, এবং ঝড় তাঁরই হাতে।
তাই যাহা-কিছুই হতে যাচ্ছে ভালই
হবে। যদি আমরা বেঁচে থাকি, ভালো;
আর না বাচলেও, ভালো; কারণ সবকিছু
তাঁর হাতে এবং তিনি কোন ভুল কিছু
করতে পারেন না।
★সৃষ্টিকর্তার
প্রতি বিশ্বাস বৃদ্ধি করো এবং তাঁর
প্রতি বিশ্বাস রেখো যিনি তোমার
জীবনকে পুরো বদলে দিতে সক্ষম।
সবকিছুই কোন একটি কারণেই ঘটে।
সংগ্রহীত
একজন লোক মাত্র বিয়ে করে তার
স্ত্রীকে সাথে নিয়ে বাড়িতে ফিরছি
তারা যখন নৌকা দিয়ে সাগর পাড়
হচ্ছিল, তখন হঠাৎ একটি বড় ঝড়ের
কবলে পড়েছিল।
লোকটি ছিল একজন সাহসী যোদ্ধা,
কিন্তু তার স্ত্রী খুব ভীত হয়ে ওঠে যেহেতু
নৌকাটি ছিল ছোট এবং যে কোন মুহূর্তে
তারা নিমজ্জিত হতে যাচ্ছে এতে সে খুব
নিরাশ হয়ে পড়ল।
কিন্তু"
লোকটি তখনও নীরব এবং শান্ত ছিল যেন কিছুই ঘটেনি। মহিলার আতঙ্কগ্রস্ত এবং কম্পিত
কন্ঠে জিজ্ঞেস করল, “আপনি কি ভীত
নন ?”। এটাই আমাদের জীবনের শেষ
মুহূর্ত হতে পারে! শুধুমাত্র কিছু
অলৌকিক ঘটনা আমাদের
রক্ষা করতে পারে; অন্যথায় মৃত্যু নিশ্চিত।
লোকটি হাসতে হাসতে তার
তলোয়ারটি খোলস থেকে বের করল।
মহিলাটি আরো আতঙ্কিত হয়ে পরল;
সে আসলে কি করতে যাচ্ছে?
তারপর সে তার
খোলা তলোয়ারটি তার স্ত্রীর প্রায়
গলাকে স্পর্শ করে ধরে রাখল...
সে বলল, “তুমি কি ভয় পাচ্ছ?”
তার স্ত্রী হাসতে শুরু করল আর বলল,
“আমি কেন ভয় পাব?
তলোয়ারটিতো আপনার হাতে, কেন
আমি ভয় পাব?
আমি জানি যে আপনি আমাকে আনেক
ভালবাসেন।”
“সে তলোয়ারটি খোলসের ভিতর
রাখতে রাখতে বলল, “তুমি আমার
উত্তর পেয়েগেছ” আমি জানি আল্লাহ
আমাদের ভালবাসেন, এবং ঝড় তাঁরই হাতে।
তাই যাহা-কিছুই হতে যাচ্ছে ভালই
হবে। যদি আমরা বেঁচে থাকি, ভালো;
আর না বাচলেও, ভালো; কারণ সবকিছু
তাঁর হাতে এবং তিনি কোন ভুল কিছু
করতে পারেন না।
★সৃষ্টিকর্তার
প্রতি বিশ্বাস বৃদ্ধি করো এবং তাঁর
প্রতি বিশ্বাস রেখো যিনি তোমার
জীবনকে পুরো বদলে দিতে সক্ষম।
সবকিছুই কোন একটি কারণেই ঘটে।
সংগ্রহীত
Thursday, 28 January 2016
মুসলমানেরা এতভাগে বিভক্ত কেন .?
এটা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই যে, আজকের মুলমান নিজেদের মধ্যেই অসংখ্য ভাগে বিভক্ত হয়ে আছে। আর তার চাইতেও দুঃখজনক হলো এই বিভক্তি খোদ ইসলামের দ্বারা আদৌ স্বীকৃত নয়। ইসলাম বিশ্বাস করে তার অনুসারীদের মধ্যে ঐক্য এবং একতার লালন করতে। জ্যোতির্ময়ী কুরআন বলছেঃএবং আকড়ে ধরো দৃঢ়তার সাথে সবাই মিলে আল্লাহর রজ্জুকে (যা তিনি ঝুলিয়ে রেখেছেন তোমাদের জন্য কুরআনের আকারে) এবং নিজেরা বিভক্ত হয়ে যেও না।
জ্যোতির্ময় কুরআন বলছেঃ
এ ধরনের একজন মুসলমানকে কেউ যদি প্রশ্ন করে আমাদের প্রিয় নবী (সঃ) কি ছিলেন? তিনি কি একজন হানাফী কথবা শাফী অথাবা হাম্বলী ছিলেন? না! তিনি ছিলেন একজন মুসলিম। তাঁর পূর্বে আগত আল্লাহর সকল নবী ও রাসূলগণের মতো।
কেউ পরিচয় জানতে চাইলে তার বলা উচিত আমি একজন মুসলিম-না হানাফী না শাফী।
ইসললামের ইতিহাসে মহান ইমাম ও আলেমগনের প্রতি আমাদের সম্মানবোধ আন্তরিক হতে হবে। তাঁদের জীবন নিংড়ানো জ্ঞান সাধনা মুসলিম জাতিকে জ্ঞান সম্পদে সম্পদশালী করেছে। নিঃসন্দেহে আল্লাহর দরবারে তাঁরা পুরুষকৃত হবেন। সাধারণের মধ্যে কিউ যদি বিশেষ কোনো ইমামের রীতি পদ্ধতি অনুসরণ করেন, সেটা অবশ্যই দোষের কিছু নয়। কিন্তু পরিচয়ের ক্ষেত্রে তাদের কারো নাম জড়িয়ে পরিচয় দেয়া এক ধরনের সংকীর্ণতার প্রকাশ। যেমনটা করতে তাঁরা কেউ বলে জাননি। নবী রাসূলগনের মতো তাঁরাও ছিলেন শুধুমাত্র আল্লাহতে সমর্পিত মুসলিম। কাজেই তাঁদের কারো অনুসারী হলেই পরিচয় বদলে যায় না। মুসলমানদের পরিচয় একটাই তারা মুসলিম।
প্রশ্নঃ মুসলমানের যেখানে এক এবং একই কুরআনের অনুসারী তাহলে মুসলমানদের মধ্যে এত বিভক্তি এবং চিন্তাদারার এত বিভিন্নতা কেন?
*
নিন্মে এই প্রশ্নের জবাবে কোরআন হাদীসের রেফারেন্স তুলে ধরা হল.......;
ক) মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধ থাকা উচিৎ
*
এটা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই যে, আজকের মুলমান নিজেদের মধ্যেই অসংখ্য ভাগে বিভক্ত হয়ে আছে। আর তার চাইতেও দুঃখজনক হলো এই বিভক্তি খোদ ইসলামের দ্বারা আদৌ স্বীকৃত নয়। ইসলাম বিশ্বাস করে তার অনুসারীদের মধ্যে ঐক্য এবং একতার লালন করতে। জ্যোতির্ময়ী কুরআন বলছেঃএবং আকড়ে ধরো দৃঢ়তার সাথে সবাই মিলে আল্লাহর রজ্জুকে (যা তিনি ঝুলিয়ে রেখেছেন তোমাদের জন্য কুরআনের আকারে) এবং নিজেরা বিভক্ত হয়ে যেও না।
এ আয়াতে যে রজ্জুর কাথা বলা হয়েছে সে রজ্জু কি বা কোন রজ্জু? জ্যোতীর্ময় কুরআন, মহাবিজ্ঞান আল কুরআনই সেই আল্লাহর রজ্জু যা সকল মুসলমানের সম্মিলিতভাবে ধরে রাখা উচিত। ঐক্যের ব্যাপারে দ্বিগুন গুরুত্ব দেয় হয়েছে। অর্থাৎ সবাই মিলে শক্ত করে ধরো বলার সাথে সাথেই বলা হয়েছে বিভক্ত হয়ো না।
কুরআন আরো বলছেঃ
আনুগত্য করো আল্লাহর এবং আনুগত্য করো রাসূলের। (৪:৫৯)
সকল মুসলমানের কুরআন ও বিশুদ্ধ হাদূসসমূহ অনুসরণ করা কর্তব্য এবং নিজেদের মধ্যে বিভক্ত হওয়া উচিত নয়।
খ. ফের্কাবাজী ও বিভক্তি ইসলামে নিষিদ্ধ
*
জ্যোতির্ময় কুরআন বলছেঃ
যারা নিজেদের দ্বীনকে খন্ড খন্ড করে দিয়েছে এবং দলে দলে বিভক্ত হয়ে পড়েছে তাদের সাথে তোমার এতটুকু সম্পর্ক নেই। তাদের এসব ব্যাপার আল্লাহ কাছে ন্যাস্ত। অবশেষে তাদেরকে তিনি বলে দেবেন সেই সব সম্পর্কে যেসব কাজ তারা করছিল। (সূরা আনআমঃ১৫৯)
এ আয়াতে আল্লাহ বলেছেন, তাদের থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখতে যারা তাদের দ্বীনকে বিভক্ত করেছে এবং বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে গেছে।
কিন্তু কেউ যখন কোনো মুসলমানকে জিজ্ঞেস করে তুমি কে? সাধারণ উত্তর হলো, আমি একজন সুন্নি অধবা আমি শিয়া। অনেকেই নিজেদেরকে হানাফী অথবা শা’ফী অথবা মালেকী অথবা হাম্বলী ইত্যাদি হিসেবে পরিচিত হতে গর্ববোধ করেন। কেউ আবার দেওবন্দী। কেউ ব্রেলোভী।
গ. আমাদের রাসূল ছিলেন একজন ‘মুসলিম’
*
এ ধরনের একজন মুসলমানকে কেউ যদি প্রশ্ন করে আমাদের প্রিয় নবী (সঃ) কি ছিলেন? তিনি কি একজন হানাফী কথবা শাফী অথাবা হাম্বলী ছিলেন? না! তিনি ছিলেন একজন মুসলিম। তাঁর পূর্বে আগত আল্লাহর সকল নবী ও রাসূলগণের মতো।
যেমন সূরা নিসা ৫২ নং আয়াতে বলা হয়েছে-ঈসা (আ) ছিলেন একজন মুসলিম। ৬৭ আয়াতে বলা হয়েছে- ইব্রাহীম না ইহুদী ছিল না খ্রীষ্টান, সে ছিল একজন মুসলমান
ঘ. কুরআন বলছে নিজেদেরকে মুসলিম বলে পরিচয় দাও
*
কেউ পরিচয় জানতে চাইলে তার বলা উচিত আমি একজন মুসলিম-না হানাফী না শাফী।
আর কে হতে পারে বক্তব্যে তার চাইতে উত্তম? যে (মানুষকে) আল্লাহর পথে আহ্বান করে আর যাবতীয় জীবন কর্ম যেভাবে আল্লাহ করতে বলেছেন সেভাবে করে এবং বলে আমি তো আল্লাহতে সমর্পিতদের একজন। (মুসলিম) (৪১:৩৩)
কুরআন বলে আমি তাদেরই একজন যারা আল্লাহতে সমর্পিত। অন্য কথায় বলো, আমি একজন মুসলিম।
২. রাসূলুল্লাহ (স) অমুসলিম রাজা বাদশাহদের কাছে ইসলামের দাওয়াত দিয়ে চিঠি লিখেছিলেন। সেই সব চিঠিতে তিনি সুরা আলে ইমরানের এই আয়াত উল্লেখ করেছিলেন।
তাহলে বলে দিন ওদেরকে তোমরা সাক্ষী থাকো একথার যে আমরা (কিন্তু) সর্বান্তকরনে আল্লাহতে আত্মসর্ম্পনকারী‘মুসলিম’। (৩:৬৪)
ঙ.. ইসলামের মহান ইমামগণের প্রতি শ্রদ্দা ও সম্মান

ইসললামের ইতিহাসে মহান ইমাম ও আলেমগনের প্রতি আমাদের সম্মানবোধ আন্তরিক হতে হবে। তাঁদের জীবন নিংড়ানো জ্ঞান সাধনা মুসলিম জাতিকে জ্ঞান সম্পদে সম্পদশালী করেছে। নিঃসন্দেহে আল্লাহর দরবারে তাঁরা পুরুষকৃত হবেন। সাধারণের মধ্যে কিউ যদি বিশেষ কোনো ইমামের রীতি পদ্ধতি অনুসরণ করেন, সেটা অবশ্যই দোষের কিছু নয়। কিন্তু পরিচয়ের ক্ষেত্রে তাদের কারো নাম জড়িয়ে পরিচয় দেয়া এক ধরনের সংকীর্ণতার প্রকাশ। যেমনটা করতে তাঁরা কেউ বলে জাননি। নবী রাসূলগনের মতো তাঁরাও ছিলেন শুধুমাত্র আল্লাহতে সমর্পিত মুসলিম। কাজেই তাঁদের কারো অনুসারী হলেই পরিচয় বদলে যায় না। মুসলমানদের পরিচয় একটাই তারা মুসলিম।
অনেকেই হয়তো তাদের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংকীর্ণ মানসিকতাকে চাপা দেবার জন্য সুনানে আবু দাউদে বর্নিত ৪৫৭৯ নং হাদীস খানি নিয়ে তর্কে লাফিয়ে পড়বেন। যা রাসূল (স) বলেছেন, আমার উম্মত ৭৩টি ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়বে।
কিন্তু এ হাদীসখানি রাসূল (স) তাঁর উম্মতের অধঃপতনের চূড়ান্ত পর্যায়ে যেসব বিকৃতি দেখা দেবে তারই অন্যতম একটি আগাম বার্তা বহন করছে। তিনি তো একথা বলেননি। যে মুসলমানরা এভাবে ফের্কায় ফের্কায় ভাগ হয়ে যেতে হবে।
কুরআন যেখানে আমাদেরকে আদেশ করছে কোনো বিভক্তির সৃষ্টি করা যাবে না। অতএব যারা কুরআন ও শুদ্ধ হাদিস সমূহের একনিষ্ঠ অনুসারী এবং কোনো ধরনের বিচ্ছিন্নতার না কারণ হয় না কাউকে উৎসাহিত করে তারাই সঠিক পথে রয়েছেন।
তিরমিযির ১৭১ নং হাদীসে বলা হয়েছে রাসূল (স) বলেছেনঃ আমার উম্মত ৭৩ ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়বে। এর মধ্যে শুধু একটি ছাড়া বাদ বাকি সব জাহান্নামী হবে। সাহবায়ে কেরাম জানতে চাইলেন ইয়া রাসূলুল্লাহ সেই শুদ্ধ দল কোনটি হবে?রাসূল (স) বললেন, “যাদের কাছে আমি এবং আমার সঙ্গী সাথীরা অনুসরণীয় হবো। .
আনুগত্য করো আল্লাহর এবং আনুগত্য করো রাসূলের” কুরআনের বহু জায়গায় এই একটি কথা মুসলমানদের মনের মধ্যে স্থায়ী ভাবে বসিয়ে দেবার জন্য নানান ভাবে বলে দেয়া হয়েছে। কাজেই একজন মুসলমানের অনুস্মরনীয় আদর্শ হচ্ছে কুরআন ও বিশুদ্ধ হাদীস। তারপর এ দুয়ের নির্দেশনা সমূহকে অনুশীলনীর পদ্ধতি হিসেবে সে যদি কোনো বিশেষ আলেমকে অনুসরণ করতে চায় তাতে দোষের কিছু নেই। কিন্তু তা যদি আবার কোনো এক পর্যায়ে গিয়ে খোদ কুরআন ও হাদীসের বিরুদ্ধে চলে যায় তাহলে তা যত বড় বিশেষজ্ঞ আলেমই হোকনা কেন্ দুই কড়ি মূল্য রাখেন না।
প্রতিটি মুসলমান যদি তার সামর্থ অনুযায়ী কুরআন বুঝে পড়ার অনুশীলনী করে এবং সেখান থেকে পাওয়া মূলনীতিসমূহ খোদ রাসূল (স) এর বাস্তবায়ন পদ্ধতি অনুযায়ী বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তাহলে ইনশাআল্লাহ একদিন এই বিভক্তি দূর হয়ে যাবে এবং আমরা ঐক্যবদ্ধ শক্তিশালী এক ‘উম্মাহ’ হয়ে আত্মপ্রকাশকরতে সমক্ষ হবো।
Sunday, 24 January 2016
জীবনকে সুন্দর করার জন্য কিছু পদক্ষেপ ।
— সবার আগে সেই খারাপ কাজ
ছেড়ে সরে আসতে হবে।
— আন্তরিকভাবে অনুতপ্ত
হতে হবে [তাওবা ও ইস্তিগফার
করা]
— ক্রমাগত ভালো কাজ
করতে হবে, কেননা ভালো কাজ
মন্দ কাজকে ঢেকে দেয়।
— সঙ্গীসাথী বদলে ফেলতে হবে।
আগেকার সম্পূর্ণ ফ্রেন্ড
সার্কেলকে এভয়েড করতে হবে।
— একাকীত্ব
থেকে দূরে থাকতে হবে,
প্রয়োজনে ভালো সঙ্গীর
কারণে গিয়ে ভালো বিষয়ে আলোচনা করতে দূরে
কোথাও
যাওয়াও উচিত হবে।
— কমিউনিকেশন ডিভাইস
থেকে দুরত্ব রাখতে হবে, বিশেষ
করে একাকীত্বের সময়ে যেন
আবার কোন নতুন সমস্যায়
জড়িয়ে পড়ার স
ম্ভাবনা না থাকে।
— আল্লাহর স্মরণ করতে হবে সবসময়।
— নামাজে নিয়মিত হতে হবে,
ইসলামি জ্ঞানার্জনে নিজেকে লাগিয়ে দিতে
হবে।
— নিজেকে স্মরণ করাতে হবে,
দুনিয়ার জীবন ক্ষণস্থায়ী।
আখিরাতে আল্লাহ এই জীবনের
সবকিছুর হিসেব নিবেন।
— বিবাহপূর্ব বা বিবাহবহির্ভূত সকল
সম্পর্ক এড়িয়ে চলুন।
— মোবাইল ফোন, ফেসবুক,
মেসেঞ্জারেও যেকোন
কমিউনিকেশন থেকে দূরে থাকুন।
নইলে শয়তানের ওয়াসওয়াসায়
জীবন আবার জটিল হয়ে যাবে।
আল্লাহ আমাদের বলেছেনঃ
“…নির্লজ্জতার কাছেও
যেয়ো না, প্রকাশ্য হোক
কিংবা অপ্রকাশ্য…” — [সূরা আনআম
– ১৫১]
“যারা পছন্দ করে যে, ঈমানদারদের
মধ্যে ব্যভিচার প্রসার লাভ করুক,
তাদের জন্যে ইহাকাল ও
পরকালে যন্ত্রণাদায়ক
শাস্তি রয়েছে…” —[আন নূর :১৯]
“মুমিনদেরকে বলুন, তারা যেন
তাদের দৃষ্টি নত
রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গর
হেফাযত করে। এতে তাদের জন্য
খুব পবিত্রতা আছে… ” — [সূরা আন
নূর :৩০]
“আমি মানুষ
সৃষ্টি করেছি এবং তার মন
নিভৃতে যে কুচিন্তা করে,
সে সম্বন্ধেও আমি অবগত আছি।…” —
[সূরা ক্বাফ -১৬]
— সবার আগে সেই খারাপ কাজ
ছেড়ে সরে আসতে হবে।
— আন্তরিকভাবে অনুতপ্ত
হতে হবে [তাওবা ও ইস্তিগফার
করা]
— ক্রমাগত ভালো কাজ
করতে হবে, কেননা ভালো কাজ
মন্দ কাজকে ঢেকে দেয়।
— সঙ্গীসাথী বদলে ফেলতে হবে।
আগেকার সম্পূর্ণ ফ্রেন্ড
সার্কেলকে এভয়েড করতে হবে।
— একাকীত্ব
থেকে দূরে থাকতে হবে,
প্রয়োজনে ভালো সঙ্গীর
কারণে গিয়ে ভালো বিষয়ে আলোচনা করতে দূরে
কোথাও
যাওয়াও উচিত হবে।
— কমিউনিকেশন ডিভাইস
থেকে দুরত্ব রাখতে হবে, বিশেষ
করে একাকীত্বের সময়ে যেন
আবার কোন নতুন সমস্যায়
জড়িয়ে পড়ার স
ম্ভাবনা না থাকে।
— আল্লাহর স্মরণ করতে হবে সবসময়।
— নামাজে নিয়মিত হতে হবে,
ইসলামি জ্ঞানার্জনে নিজেকে লাগিয়ে দিতে
হবে।
— নিজেকে স্মরণ করাতে হবে,
দুনিয়ার জীবন ক্ষণস্থায়ী।
আখিরাতে আল্লাহ এই জীবনের
সবকিছুর হিসেব নিবেন।
— বিবাহপূর্ব বা বিবাহবহির্ভূত সকল
সম্পর্ক এড়িয়ে চলুন।
— মোবাইল ফোন, ফেসবুক,
মেসেঞ্জারেও যেকোন
কমিউনিকেশন থেকে দূরে থাকুন।
নইলে শয়তানের ওয়াসওয়াসায়
জীবন আবার জটিল হয়ে যাবে।
আল্লাহ আমাদের বলেছেনঃ
“…নির্লজ্জতার কাছেও
যেয়ো না, প্রকাশ্য হোক
কিংবা অপ্রকাশ্য…” — [সূরা আনআম
– ১৫১]
“যারা পছন্দ করে যে, ঈমানদারদের
মধ্যে ব্যভিচার প্রসার লাভ করুক,
তাদের জন্যে ইহাকাল ও
পরকালে যন্ত্রণাদায়ক
শাস্তি রয়েছে…” —[আন নূর :১৯]
“মুমিনদেরকে বলুন, তারা যেন
তাদের দৃষ্টি নত
রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গর
হেফাযত করে। এতে তাদের জন্য
খুব পবিত্রতা আছে… ” — [সূরা আন
নূর :৩০]
“আমি মানুষ
সৃষ্টি করেছি এবং তার মন
নিভৃতে যে কুচিন্তা করে,
সে সম্বন্ধেও আমি অবগত আছি।…” —
[সূরা ক্বাফ -১৬]
তওবা কি?
একজন মহিলা আসলেন
মহানবী (সা) এর কাছে …
আর বললেন -“ হুজুর
আমাকে পাক করে দিন।”
মহানবী (সা) তাকে জিজ্ঞেস
করলেন -“ তুমি কি করেছ?
“ মহিলা বললেন -“ হুজুর
আমি ব্যভিচার (জিনা/
অবৈধ সম্পর্ক) করেছি।
“ মহানবী (সা) বললেন -
“ তুমি কি বলছ ?
তোমার হুশ ঠিক আছে তো ?
“ মহিলা বললেন -“ হুজুর
আমি সত্যি বলছি।
আমি জিনা করেছি।
এবং গর্ভবতী হয়ে গিয়েছি।
.
“ মহানবী (সা) বললেন -
“ তুমি কি এরপূর্বে একজন
সাহাবীর জিনার শাস্তি
মৃত্যুদন্ড দেখনি ?
“ মহিলা বললেন -“ জ্বী হুজুর
আমি জানি।
আপনি আমাকে পাক করে দিন।”
.
মহানবী (সা) বললেন -“ ঠিক
আছে, এখন তুমি গর্ভবতী।
আগে তোমার সন্তান প্রসব কর।
তারপর তোমার বিচার হবে।
“ মহিলা চলে গেলেন। তাঁর
পিছনে কোনো প্রহরী কিংবা
পাহারা দেয়া হলনা।
সন্তান প্রসব করার পর
মহিলা ঠিক আবার মহানবী (সা)
এর কাছে আসলেন।
মহিলা বললেন -“ হুজুর
আমি সন্তান প্রসব করেছি।
এবার আমাকে পাক
করে দিন।” মহানবী (সা)
বললেন -“ তোমার
সন্তান এখনো ছোট।
.
সে যতদিন স্তন পান
করবে ততদিন
তুমি মুক্ত।” মহিলা চলে গেলেন।
নেই কোনো প্রহরী , নেই কোন
পাহারা।
নেই কারো চাপ।
মহিলা ঠিকই শিশু স্তন
পান করা শেষ করার পর আসলেন।
মহিলা-“ হুজুর আমাকে পাক
করে দিন।” তখন মহানবী (সা)
তার শাস্তি ঘোষনা করলেন।
মহিলাকে শাস্তি স্বরুপ
শরীরে কাপড়
পেচিয়ে মাটিতে পুঁতে দেয়া হল।
সকলের পাথর নিক্ষেপে মহিলার
মৃত্যু হল। মহানবী(সা) মহিলার
জন্য আল্লাহর
দরবারে দোয়া করলেন।
উমর (রা ) বললেনঃ ” ইয়া রাসুলুল্লাহ
আপনি একজন ব্যভিচারীর জন্য
দোয়া করছেন ?” মহানবী (সা)
বললেনঃ ” সে যে তওবা করেছে
তা ৭০ জন মক্কাবাসীকে যদি
ভাগ করে দেওয়া হয় ,
ঐ ৭০ জনের জান্নাত পাওয়ার
জন্যে এ তওবা যথেষ্ট।
“ তওবা করুন বিশুদ্ধ তওবা।
(সিহীহ মুসলিম শরীফ ) হাদীসটি উল্ল্যেখ
আছে-‘ সহীহ’
মুসলীম, ৬ষ্ঠখন্ড , অধ্যায়- ৩০
একজন মহিলা আসলেন
মহানবী (সা) এর কাছে …
আর বললেন -“ হুজুর
আমাকে পাক করে দিন।”
মহানবী (সা) তাকে জিজ্ঞেস
করলেন -“ তুমি কি করেছ?
“ মহিলা বললেন -“ হুজুর
আমি ব্যভিচার (জিনা/
অবৈধ সম্পর্ক) করেছি।
“ মহানবী (সা) বললেন -
“ তুমি কি বলছ ?
তোমার হুশ ঠিক আছে তো ?
“ মহিলা বললেন -“ হুজুর
আমি সত্যি বলছি।
আমি জিনা করেছি।
এবং গর্ভবতী হয়ে গিয়েছি।
.
“ মহানবী (সা) বললেন -
“ তুমি কি এরপূর্বে একজন
সাহাবীর জিনার শাস্তি
মৃত্যুদন্ড দেখনি ?
“ মহিলা বললেন -“ জ্বী হুজুর
আমি জানি।
আপনি আমাকে পাক করে দিন।”
.
মহানবী (সা) বললেন -“ ঠিক
আছে, এখন তুমি গর্ভবতী।
আগে তোমার সন্তান প্রসব কর।
তারপর তোমার বিচার হবে।
“ মহিলা চলে গেলেন। তাঁর
পিছনে কোনো প্রহরী কিংবা
পাহারা দেয়া হলনা।
সন্তান প্রসব করার পর
মহিলা ঠিক আবার মহানবী (সা)
এর কাছে আসলেন।
মহিলা বললেন -“ হুজুর
আমি সন্তান প্রসব করেছি।
এবার আমাকে পাক
করে দিন।” মহানবী (সা)
বললেন -“ তোমার
সন্তান এখনো ছোট।
.
সে যতদিন স্তন পান
করবে ততদিন
তুমি মুক্ত।” মহিলা চলে গেলেন।
নেই কোনো প্রহরী , নেই কোন
পাহারা।
নেই কারো চাপ।
মহিলা ঠিকই শিশু স্তন
পান করা শেষ করার পর আসলেন।
মহিলা-“ হুজুর আমাকে পাক
করে দিন।” তখন মহানবী (সা)
তার শাস্তি ঘোষনা করলেন।
মহিলাকে শাস্তি স্বরুপ
শরীরে কাপড়
পেচিয়ে মাটিতে পুঁতে দেয়া হল।
সকলের পাথর নিক্ষেপে মহিলার
মৃত্যু হল। মহানবী(সা) মহিলার
জন্য আল্লাহর
দরবারে দোয়া করলেন।
উমর (রা ) বললেনঃ ” ইয়া রাসুলুল্লাহ
আপনি একজন ব্যভিচারীর জন্য
দোয়া করছেন ?” মহানবী (সা)
বললেনঃ ” সে যে তওবা করেছে
তা ৭০ জন মক্কাবাসীকে যদি
ভাগ করে দেওয়া হয় ,
ঐ ৭০ জনের জান্নাত পাওয়ার
জন্যে এ তওবা যথেষ্ট।
“ তওবা করুন বিশুদ্ধ তওবা।
(সিহীহ মুসলিম শরীফ ) হাদীসটি উল্ল্যেখ
আছে-‘ সহীহ’
মুসলীম, ৬ষ্ঠখন্ড , অধ্যায়- ৩০
Saturday, 23 January 2016
কবরের আযাব থেকে বাঁচার উপায়
কবরের আযাব থেকে বাঁচার উপায়
১. কবরের আযাব থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয়
চাওয়া ও দুয়া করাঃ
কবররে আযাব থেকে বাঁচার জন্য আল্লাহর কাছে
নিয়মিত দুয়া করতে হবে, বিশেষ করা দুয়া মাসুরাতে
বেশি বেশি দুয়া করতে হব। যেই দুয়া মাসুরা পড়তে
হবেঃ
দুয়া মাসুরা অর্থ হচ্ছে হাদীসে বর্ণিত দুয়া যেইগুলো
রাসুল সাঃ করতেন। আমাদের দেশের মানুষ মনে
করে, দুয়া মাসুরা শুধু একটাই (আল্লাহুম্মা ইন্নি
জালামতু নাফসান যুলমান কাসিরাও...), এটা ভুল।
নামাযে সালাম ফিরানোর আগে পড়তে হয় এমন
অনেক সুন্দর সুন্দর দুয়া আছে সহীহ হাদীসে। কারণ,
ফরয নামাযে আত্তাহিয়্যাতু ও দুরুদ পড়ার পরে,
সালাম ফেরানোর আগে দুয়া বেশি কবুল করা হয়।
দুয়া মাসুরা এক বা একের অধিক, যত ইচ্ছা পড়া যায়।
এইগুলো মুখস্থ করে আমল করা উচিত।
৪টি জিনিস থেকে আশ্রয় চাওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ
দুয়া মাসুরা আছে। কবরের আজাব, জাহান্নামের
আজাব, দুনিয়ার ফেতনা ও মৃত্যুর সময়ের ফেতনা ও
দাজ্জালের ফেতনা থেকে নিরাপদ থাকার জন্য
দুয়া মাসুরাঃ
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এইগুলো থেকে বাঁচার জন্য ফরয,
নফল বা সুন্নত, যেকোনো সালাতে তাশাহুদ ও দুরুদের
পরে সালাম ফিরানোর আগে এই দুয়া পড়তে
বলেছেন।
ﺍَﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲْ ﺃَﻋُﻮْﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﻋَﺬَﺍﺏِ ﺍﻟْﻘَﺒْﺮِ، ﻭَﻣِﻦْ ﻋَﺬَﺍﺏِ ﺟَﻬَﻨَّﻢَ، ﻭَﻣِﻦْ ﻓِﺘْﻨَﺔِ ﺍﻟْﻤَﺤْﻴَﺎ
ﻭَﺍﻟْﻤَﻤَﺎﺕِ، ﻭَﻣِﻦْ ﺷَﺮِّ ﻓِﺘْﻨَﺔِ ﺍﻟْﻤَﺴِﻴْﺢِ ﺍﻟﺪَّﺟَّﺎﻝِ .
উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা ইন্নী আ’উযুবিকা মিন
আ’যাবিল ক্বাবরি ওয়া মিন আ’যাবি জাহান্নাম,
ওয়ামিন ফিতনাতিল মাহ’ইয়া, ওয়াল্ মামাতি,
ওয়ামিং সাররি ফিতনাতিল্ মাসীহি’দ্-দাজ্জাল।
অর্থঃ হে আল্লাহ! তুমি আমাকে কাবরের আযাব
থেকে রক্ষা করো,আমাকে জাহান্নামের আযাব,
এবং দুনিয়ার ফিৎনা ও মৃত্যুর ফেতনা এবং
দাজ্জালের ফিৎনা থেকে রক্ষা করো।
বুখারী ২১০২, মুসলিম ১/৪১২, হিসনুল মুসলিম, পৃষ্ঠা –
৯০।
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) দুয়া মাসুরা হিসেবে এই দুয়া
পড়তে সবচেয়ে বেশি জোর দিয়েছেন।
২. কবীরা গুনাহ, যেইগুলো বড়বড় পাপকাজ, সেইগুলো
যে কারনে ক্বুরান ও সহীহ হাদীসে কঠিন শাস্তির
ভয় দেখানো হয়েছে, সেইগুলো বর্জন করা ও
আল্লাহর বেঁধে দেওয়া ফরয ও ওয়াজিব হুকুম পালনে
যত্নবান হওয়া।
৩. সুরা মুলক
প্রতিদিন সুরা মুলক তেলাওয়াত করলে আশা করা
যায় আল্লাহর রহমতে কবরের আজাব ও কেয়ামতের
দিন শাস্তি থেকে নিরাপদ থাকা যাবে।
আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) বলেছেনঃ “যে
ব্যক্তি প্রতিদিন রাতের বেলা তাবারাকাল্লাযী
বিয়াদিহিল মুলক (সুরা মুলক) তেলাওয়াত করবে
আল্লাহ তাকে কবরের আজাব থেকে রক্ষা করবেন।
রাসুলুল্লাহ সাঃ এর যামানায় এই সুরাটিকে আমরা
“আল-মা’আনিয়াহ” বা সুরক্ষাকারী বলতাম। যে
রাতের বেলা এই সুরাটি পড়বে সে খুব ভালো একটা
কাজ করলো”।
সুনানে আন-নাসায়ী ৬/১৭৯, শায়খ আলবানীর মতে
হাদীসটি হাসান সহীহ, সহীহ আত-তারগীব ওয়াল
তারহীব ১৪৭৫।
এই সুরা প্রত্যেকদিন রাতের বেলা তেলাওয়াত
করলে কিয়ামতের দিন শাফায়াত করে জান্নাতে
নিয়ে যাবে ইন শা’ আল্লাহঃ
রাসুলুল্লাহ সাঃ বলেছেনঃ “কুরআনে এমন একটা
সুরা আছে যার মধ্যে ৩০টা আয়াত রয়েছে যেটা
একজন ব্যক্তির জন্য সুপারিশ করবে এবং তাকে
ক্ষমা করে দেওয়া হবে। আর সেটা হলো
তাবারাকাল্লাযী বিয়াদিহিল মুলকু (সুরা মুলক)”।
সুনানে আত-তিরমিযী ২৮৯১, সুনানে আবু দাউদ ১৪০০,
মুসনাদের আহমাদ, ইবনে মাজাহ ৩৭৮৬।
ইমাম তিরমিযী বলেছেন হাদীসটি হাসান, ইবনে
তাইমিয়্যা বলেছেন সহীহ মাজমু ২২/২২৭, শায়খ
আলবানীর মতে হাদীসটি সহীহ, সহীহ তিরমিযী ৩/৬,
সহীহ ইবনে মাজাহ ৩০৫৩।
বিঃদ্রঃ এইখানে তেলাওয়াত মানে শুধু তোতা
পাখির মতো রিডিং পড়ে যাওয়া না। এই প্রসংগে
সউদী আরবের স্থায়ী ফতোয়া বোর্ডের আলেমদের
ফতোয়া হচ্ছেঃ “এই হাদীসগুলোর আলোকে বলা
যায়ঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সুরা মুলক
বিশ্বাস করবে ও তেলাওয়াত করবে, এই সুরাতে যে
শিক্ষা দেওয়া আছে তা গ্রহণ করবে এবং যে হুকুম
আহকাম দেওয়া আছে সেইগুলো মেনে চলবে
কেয়ামতের দিন তার জন্য এই সুরাটি শাফায়াত
করবে”।
Subscribe to:
Posts (Atom)

